Article Image

যশোরের ট্রিপল মিলিওনিয়ার নারী উদ্যোক্তা রয়েল কিচেন এর নাহিদ সুলতানা আপু


শিহাব উদ্দীন শ্রেষ্ঠত্বের গল্প বিভাগ।
৪ মাস ২ দিন ১ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে প্রকাশিত।
893 Views.   0 Comment.   0 Points.


আজ বলব আগামীর উদ্যোক্তা প্লাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যশোরে রয়েল কিচেন এর ওনার ট্রিপল মিলিওনিয়ার নাহিদ সুলতানা আপুর কথা। ২০২১ সালে যখন আমাদের প্রথম কমিটি নির্বাচন হয় তথাকথিত তৎকালীন অনেক স্ব-ঘোষিত প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা প্রার্থীর ভীড়ে তিনিই সকলকে পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কাস্টমারদের হাজার হাজার ভোটের ব্যবধানে সভাপতি নির্বাচিত হন এমনকি বছর শেষে তিনিই লক্ষ লক্ষ টাকা সেলস এর ব্যবধানে সর্বশ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা হিসাবে যশোরে প্রথম মুকুটও অর্জন করেন। 

এরপর কেটে যায় ৩ টি বছর। প্রতিবারই তিনি তার নিজ যোগ্যতায় একদিকে সভাপতি অন্যদিকে সর্বশ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তার মুকুট অক্ষুন্ন রাখেন। প্রতিবারই আমাদেরই কিছু সিনিয়র উদ্যোক্তা গুজব ছড়াতেন ভোট কারচুপি ও ফেক অর্ডার দেখিয়ে তিনি এই অর্জন গুলো করেছেন। তবে তিনি কখনও এসব গুজবের উত্তর দেননি। এডমিন এর সাথে খাতের থাকায় তিনি প্রতিবারই অটো পাস করেন একথাও শোনা যায়। তবে সত্যটা কিন্তু অনেক অনেক ভিন্ন। বছরের পর বছর এডমিন এর সাথে তার ও তার পরিবারের সবার সখ্যতা গভীর থেকে গভীরত্বর হবার পরও- 

১। ২০২০ সালে বেস্ট বিরিয়ানি ইভেন্ট এ তিনি কোন পুরস্কার পান নি। 

২। বছরের পর বছর তিনি আর সর্বশ্রেষ্ঠ হিসাবে মুকুট অর্জন করতে পারেন নি। 

৩। এ বছর ২০২৫ সালে তিনি টপ ৩ জন শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তার তালিকাতেও থাকতে পারেন নি।

৪। ফুড ফটোগ্রাফি কনটেস্ট এ কাস্টমারদের ভোটে তিনি টপ ৫ এর ভিতরেও যেতে পারেন নি।

৫। কাচ্চি কুুইন কনটেস্ট এ বিচারকদের রায়ে তিনি টপ ৪ এর ভেতরেও ছিলেন না। 

৬। টিম লিডার হিসাবে তার টিম টপ ৩ এর ভেতরেও পুরস্কার পায়নি!

৭। তিনি কোনদিন শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হতে পারেন নি।

তাহলে আসল বাস্তবতা ও সত্যটা কি?

যদি তিনি ৫ বছর নয় পরবর্তী ৫০ বছর ও প্লাটফর্মের সভাপতি নির্বাচিত হন সেটা তিনি তার জনপ্রিয়তা দিয়েই কাস্টমারদের থেকে অর্জন করে নিয়েই হয়েছেন, হচ্ছেন বা হবেন এবং যেদিন তা থাকবে না তিনি সরেও যাবেন হাসিমুখে পদ থেকে কোন সন্দেহ নেই। জনগণ যদি চায় তাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না কোন গুজব বা অপবাদ। তেমনি জনগণই যদি চায় তাকে না রাখতে, খোদার কসম কোন এডমিন এর বাপের ক্ষমতা নেই তাকে পদে ধরে রাখবে। 

২০২১ সালে তিনি বিজয়ী হয়ে হাসিমুখে মঞ্চে উঠেছেন, ২০২৫ সালে তিনি বিজয়ী না হয়েও তারই মুকুট তিনি নতুনদের মাথায় হাসিমুখে তুলে দিয়েছেন। এরকম একজন মহিলা আমি আমার জীবনে আর কোনদিন পাব কিনা জানা নেই। তবে এটুকু বলতে পারি যশোরে এরকম নারী আরো অনেক বেশি সংখ্যায় দরকার। কারণ তারা যেখানে যাবেন, যে প্লাটফর্মেই থাকবেন, যে প্রতিষ্ঠানেই কাজ করবেন তাদের নিকট খোদার রহমত হিসাবেই প্রতিয়মান হবেন। খোদা আপুকে দীর্ঘায়ূ করুন। আমীন।


Direct Share Link :


Edit পূর্বের পরবর্তী

লিখেছেন, শিহাব উদ্দীন

Writer & Web Portal Admin.
Writer of 263 Posts.
Total 169.1 K Views.


বার বার মোবাইল নম্বর লিখে কমেন্ট করার ঝামেলা এড়াতে ও অনেক সুবিধাদি পেতে আপনার কাস্টমার মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রথমে লগইন করে নিন। Login Now