পরিচালনা পরিষদের গঠন ও মেয়াদঃ
প্লাটফর্মে শৃঙ্খলা রক্ষা ও নীতিমালার বাস্তবায়ন অত্যন্ত কঠোরতার সাথে প্রতিষ্ঠিত। কোন অজুহাতে কোন প্রকার নীতিমালা লঙ্ঘন এর কোন সুযোগ নেই। সুযোগ নেই কোন প্রকার ছাড় পাবার। আমাদের সম্মানিত ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ, উদ্যোক্তা ও রাইডারদের বিবিধ সমস্যা সমাধান তথা প্লাটফর্মের বিজনেস কে সুমন্নত রাখতে ও সার্বিক মান নিয়ন্ত্রণে সর্বদা আমাদের ডেডিকেটেড টিম লিডারগণ নিরলস ভাবে নিজের বিজনেসে সময় দেবার পাশাপাশি প্লাটফর্মের সার্বিক উন্নয়নে নিজ নিজ বন্টনকৃত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
প্লাটফর্মের মূল পরিচালনা পরিষদ ১ বছর মেয়াদি ও ৯ সদস্য বিশিষ্ট হয়ে থাকে। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ভোটের কার্যক্রম শুরু হয় এবং আগ্রহী যে কোন সিনিয়র উদ্যোক্তা যার সেলস সর্বনিম্ন ১ লক্ষ টাকা বা তার বেশি, প্রার্থী হতে পারেন। এরপর পরবর্তী ১৫ দিন তিনি ক্রেতাদের মাঝে প্রচারণা চালাতে পারেন। কেবলমাত্র ক্রেতাগণ ই আমাদের সম্মানিত ভোটার। কোন উদ্যোক্তা যদি কেনাকাটা করে থাকেন তাহলে সেও ভোট দিতে পারেন। এভাবে জানুয়ারির দ্বিতীয় শুক্রবার সকাল ১০ টায় ২৪ ঘন্টা ব্যপী নির্বাচন শুরু হয় এবং পরদিন শনিবার সকাল ১০ টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচন অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্মানিত ভোটরগণ ঘরে বসেই ভোট দিতে পারেন। এক্ষেত্রে ক্রেতার মোবাইল নম্বরে OTP কোড পাঠানোর মাধ্যমে ভোটার ভেরিফিকেশন করা হয় এবং একজন ক্রেতা একটি মোবাইল নম্বর থেকে একটি মাত্র ভোট প্রদান করতে পারেন।
শনিবার ভোট শেষে ফলাফল প্রকাশিত হয় এবং এরপরের শুক্রবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কমিটি দায়িত্ব পালন করেন। ৩১ ডিসেম্বর সূর্য ডোবার পর সকল সদস্য পদত্যাগ ঘোষণা করেন এবং পরদিন ১ তারিখ থেকে পুনরায় নতুন কমিটি নির্বাচনের ধারা শুরু হয়। নির্বাচনে সরাসরি প্রার্থীরা নিজেরাই পোলিং এজেন্ট হিসাবে ভোটের তদারকি করতে পারেন তবে কোন ক্রেতা কাকে ভোট দিয়েছেন সেটা আজীবন গোপন থাকে। ক্রেতাদের মধ্য থেকে ১ জনকে প্রিজাইডিং অফিসার রাখা হয় প্রার্থীরাই সকলে একমত হবার ভিত্তিতে। কোন প্রার্থীর কোন অভিযোগ থাকলে সে এই প্রিজাইডিং অফিসারকে জানাতে পারেন। অফিসার সাহেব প্রার্থীর অভিযোগ তদন্তে ভোট দেখতে পারেন। কোন ক্রেতা আসলেই তাকে ভোট দিয়েছেন বা দেন নি বা তার ফলাফল সঠিক গণণা হয়েছে কিনা এসব অফিসার সাহেব যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।
পরিচালনা পরিষদের মূল দায়িত্বসমূহঃ
১। অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তিঃ ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো অভিযোগ গ্রহণ করে তা দ্রুততম সময়ে তদন্ত করা ও নিষ্পত্তি করা। সম্ভব হলে সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টার ভেতরে সমাধান করা।
২। মার্কেটপ্লেস পর্যবেক্ষণঃ নিম্নমানের পণ্য বা উপকরণ ব্যবহার করে খাবার তৈরি, রেডি পণ্যে বা অর্গানিক আইটেমস এ ভেজাল প্রদান, ডেট এক্সপায়ারড উপকরণ ব্যবহার ও নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, অনলাইনে বা অফলাইনে নজরদারি এবং এ ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করা।
৩। নীতিমালা প্রনয়ণ ও বাস্তবায়নঃ দেশের প্রচলিত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা প্রনয়ণ করা এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যেমন—জরিমানা করা, সদস্যপদ বাতিল করা, সাময়িক বাতিল বা অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা।
৪। সচেতনতা বৃদ্ধিঃ ভোক্তাদের তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং কীভাবে অভিযোগ জানাতে হয় সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা। একই ভাবে উদ্যোক্তাদেরও তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা। কোন ক্রেতা অনধিকার চর্চা করলে বা কোন অপরাধমূলক কিছু করলে বা নীতিমালা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন করা, অভিযোগ আসলে ক্রেতার উপস্থিতিতে বা ক্রেতা উপস্থিত হতে না চাইলে তার অনুপস্থিতিতে সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা ও এ বিষয়ে উভয়পক্ষের সচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা চালানো।
৫। সমন্বয় সাধনঃ ভোক্তা ও উদ্যোক্তা উভয়ের সহাবস্থান নিশ্চিত করা। যে কোন অভিযোগ মিমাংসায় উভয়পক্ষের স্বার্থের থেকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নীতি ও আদর্শকে সর্বদা সমুন্নত রেখে সর্বাবস্থায় সমন্বয় সাধন করা।
৬। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাঃ প্রাতিষ্ঠানিক সকল আপডেট সম্পর্কে নিজের সুচিন্তিত মতামত প্রদান ও তা ক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের মাঝে পৌছে দিতে নিয়মিত ভাবে প্রতিরোধমূলক পোস্ট করা ও অন্যের প্রতিরোধমূলক পোস্ট এ সুচিন্তিত মতামত প্রদানের মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের সুস্পষ্ট অবস্থান সর্বসম্মুখে সুনিশ্চিত করা ও ভবিষ্যতে যাতে ভোক্তাদের বা উদ্যোক্তাদের অধিকার লঙ্ঘিত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৭। এ্যাডমিন পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্ধারণঃ মান নিয়ন্ত্রণ কমিটির নির্বাচিত হবার পর আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের দিনই শপথ গ্রহণের পর প্রথম দায়িত্ব হল পরবর্তী ১ বছরের জন্য কে হবেন এডমিন। যদি মান উন্নয়ন কমিটির ভোটে পূর্বের এডমিন জয়যুক্ত হয় তাহলে নতুন করে এই ভোটের প্রয়োজন হয় না। যদি সভাপতি নির্বাচিত হন সেক্ষেত্রে সভাপতিই হবেন এডমিন। যদি কমিটির সিদ্ধান্ত জয়যুক্ত হয় তাহলে নতুন কমিটির ভোটে এডমিন পদ নির্ধারিত হবে। এক্ষেত্রে সিনিয়র সদস্যবৃন্দ এক বা একাধিক ব্যাক্তিকে এডমিন হিসাবে প্রস্তাব করবেন এবং সম্মুখ ভোটে কমিটির বেশিরভাগ সদস্য যাকে পছন্দ করবেন তিনিই এডমিন হিসাবে দায়িত্ব পাবেন।
খাবারের সর্বোচ্চ মান নিশ্চায়ন
পরিচ্ছন্ন কিচেন, টাটকা রান্না, সুস্বাদু খাবার ও মান সম্মত প্যাকেজিং বাধ্যতামূলক। মান নিশ্চায়নে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়।
বিস্তারিত পড়ুনরিটার্ন ও রিফান্ড পলিসি
ক্রেতাদের স্বার্থ সুরক্ষা ও অর্থের নিরাপত্তা প্রদানে সকল লেনদেন পর্যবেক্ষণ ও অনিচ্ছাকৃত দুর্ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
বিস্তারিত পড়ুনএতিমখানা তহবিল ব্যবস্থাপনা
শহর ও শহরের পার্শ্ববর্তী ১০ টি এতিমখানায় প্লাটফর্মের পক্ষ থেকে নিয়মিত রান্না খাবার ও ইফতারি প্রদান করা হয়।
বিস্তারিত পড়ুনউন্নয়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা
উদ্যোক্তাদের জন্য রয়েছে সঞ্চয় ও সুদ মুক্ত ঋণদান কর্মসূচী। এছাড়াও দরিদ্র উদ্যোক্তাদের চিকিৎসা ভাতা প্রদান করা হয়।
বিস্তারিত পড়ুননির্বাচিত সদস্যবৃন্দ
01-01-2026 থেকে 31-12-2026 মেয়াদে