আগামীর উদ্যোক্তা স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে প্রশিক্ষণ গ্রহণ বিষয়ক নীতিমালা।
শিহাব উদ্দীন
নোটিশ বোর্ড বিভাগ।
২৯ দিন ৯ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে প্রকাশিত।
204 Views.
0 Comment. 0 Points.
আসসালামু আলাইকুম। যশোরের নারী উদ্যোক্তাদের ঘরে বসে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে আগামীর উদ্যোক্তার পথচলা শুরু সেই ২০২০ সালে। ধাপে ধাপে আমরা আমাদের বৃহৎ প্রকল্পগুলো সামনে আনছি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে আগামীর উদ্যোক্তা স্কিল ডেভেলমপেন্ট সেন্টার এর মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু হয়।
পরবর্তীতে যশোরে নারীদের প্রশিক্ষণের নামে রমরমা বাণিজ্যের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে স্বপ্নপূরণে যখন পিছিয়ে পড়ছিল ঠিক তখনই সম্পূর্ণ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শুরু করা হয় সকল ধরণের পাবলিক পেইড কোর্স সমূহ। বর্তমানে ১৪ টি বিভাগে ৩৫০+ বিষয়ের উপর বিভিন্ন ধরণের নারী বান্ধব ও সেবামূলক প্রশিক্ষণ ক্লাস চলমান রয়েছে।
অলাভজনক ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণঃ
আমাদের সকল পাবলিক পেইড কোর্স এ থাকছে সম্পূর্ণ অলাভজনক ব্যবস্থাপনা। এতে করে কোর্স ফিস এর বাড়তি চাপ থেকে রেহায় পাচ্ছেন নারীরা। সর্বোচ্চ মান নিশ্চত করতে প্রশিক্ষণ সামগ্রী ক্রয় এবং বিনা পারিশ্রমিকে প্রশিক্ষকদের রিক্সা ভাড়া রেখে সামাণ্য হাদিয়ার ব্যবস্থা করে এসকল প্রশিক্ষণ এর ফিস নির্ধারণ করা হয়েছে। এরকম অলাভজনক প্রশিক্ষণ ক্লাস যশোরের নারীদের জন্য সমাজ সেবায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ।
কারা অংশ নিতে পারবেনঃ
কেবলমাত্র যশোর জেলার যে কোন প্রান্তের নারীরা অংশ নিতে পারবেন। অর্থাৎ শিক্ষার্থীকে অবশ্যই নারী হতে হবে এবং তার নিজের বাড়ি বা শ্বশুরবাড়ী অবশ্যই যশোর জেলার যে কোন থানার অন্তর্গত হতে হবে।
ডিজিটাল ব্যবস্থাপনাঃ
আমাদের সকল কোর্স এবং কোর্স এর বিষয় সমূহ সম্পর্কে সরাসরি আমাদের ওয়েবসাইটে সঠিক তথ্য ও তালিকা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। এছাড়া আমাদের পেইজে পোস্ট করেও জানানো হয়। শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধামত নিজেদের স্কুডেন্ট পোর্টালে লগইন করেই কোর্স এবং ক্লাস সংক্রান্ত রুটিন, আপডেট, ফলাফল দেখে নিতে পারেন। ২৪ ঘন্টা অফিস খোলা বা বন্ধ যে কোন সময় শিক্ষার্থী তার সুবিধামত সবকিছু এক্সেস করতে পারেন আজীবন।
পেমেন্ট সিস্টেমঃ
শিক্ষার্থীরা কোন কোর্স এ এনরোল করতে আগ্রহী হলে তারা কোর্স এর নির্দিষ্ট লিংক থেকে প্রি-বুকিং করতে পারেন। এসময় উক্ত অফারে থাকা কোর্স ফিস ই কার্যকর হয়। পরবর্তীতে কোর্স ফিস কম বেশি হলে সেটার কোন প্রভাব পড়ে না। অর্থাৎ শিক্ষার্থী যে অফারে এনরোল করলেন সেই পেমেন্ট ই তিনি প্রদান করবেন।
কোর্স প্রি-বুকিং করার সময় কোন পেমেন্ট প্রদান করতে হয় না। তবে যদি কোন শিক্ষার্থী অগ্রীম বুকিং এর সময়ই পেমেন্ট করতে চান সে সুযোগ ও থাকে। বুকিং শেষে প্রতি ব্যাচ ফুল হলে অফিস থেকে মেসেজ করা হয় এবং সরাসরি যোগাযোগ করে যাদের পেমেন্ট বকেয়া রয়েছে তাদের পেমেন্ট প্রদানে উৎসাহিত করা হয়।
পেমেন্ট কেবলমাত্র প্লাটফর্মের নিজস্ব একটি মাত্র নম্বর যেটা উন্নয়ন তহবিলের ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয় কেবলমাত্র সেই নম্বরে বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে পাঠানো যায়। ব্যাক্তিগত কোন নম্বরে কোন পেমেন্ট পাঠানো বা লেনদেন বা গ্রহণ করা হয় না।
পেমেন্ট এর নির্ধারিত লিংক থেকে বা বিকাশ এ্যাপ থেকে পেমেন্ট পাঠানো যায়। পেমেন্ট সঠিকভাবে পাঠালে অফিস থেকে কনফার্মেশন মেসেজ পাওয়া যায় এবং স্টুডেন্ট পোর্টালেও জমা হলে দেখা যায়।
ক্লাস হবে কিভাবে ও কখন?
আমাদের কোর্স সমূহের ক্লাস সপ্তাহে ৭ দিন যে কোন দিনে রুটিন অনুযায়ী হয়ে থাকে। সকাল শিফট ১১ টা থেকে, বিকাল শিফট ৪ টা থেকে এবং সন্ধ্যা শিফট মাগরিবের পর থেকে শুরু হয়ে থাকে। যত দ্রুত সম্ভব ক্লাস শেষ করা হয় ও ক্লাস রেকর্ড করা হয় যাতে পরবর্তীতে আপনি বাড়িতে ফিরে পুনরায় দেখে দিতে পারেন। কোন ক্লাস মিস গেলেও বাড়িতে বসে রেকর্ডেড ক্লাস করে নেয়া যায়। কোর্স শেষেও আজীবন এক্সেস থাকে।
চাকরিজীবিদের ক্ষেত্রে অফিসে কথা বলে ক্লাস টাইম প্রয়োজনে ছুটির দিনে হবে কিনা সেটা জেনে নিন। সাধারণত চাকরিজীবিদের জন্য শিডিউল মেইনটেইন করা কঠিত হবে অনেক কোর্স এর ক্লাস কেবলমাত্র ১ টি হয় সেক্ষেত্রে ম্যানেজ করেও নিতে পারেন।
স্কুটি প্রশিক্ষণ বাদে অন্য সকল ক্লাস ও পরীক্ষা সকাল ও বিকাল শিফট এ হয় ১ দিন গ্যাপ রেখে। স্কুটি প্রশিক্ষণ এর ক্ষেত্রে বিকাল ও সন্ধ্যার ব্যাচে ক্লাস করা যায়। চাকরিজীবিদের জন্য সন্ধ্যায় বিশেষ ব্যাচ থাকে।
বিশেষ সর্তকতাঃ
কোন পেমেন্ট ফান্ডে একবার জমা হবার পর আর ফেরত প্রদান করা সম্ভব নয়। ফান্ড এর একাউন্ট কোন পার্সনাল একাউন্ট নয়। এটি প্রোপার ব্যাংকিং প্রোসেসে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং স্টেটমেন্ট পরবর্তীতে সরকারি অডিটের জন্য সংরক্ষিত হয়। হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলালে তার দায় কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না। কোন ক্রমে নিজের ব্যাচে ক্লাস শুরু করতে না পারলে পরবর্তী ব্যাচে আসবেন হিসাবে অফিসে কথা বলে ব্যাচ পরিবর্তন করে নেয়া যায়। তবে ব্যাচ শুরু করে ৩ দিনের বেশি ক্লাস অনুপস্থিত থাকলে উক্ত কোর্সটি সাসপেন্ড হতে পারেন।
প্রতিটি কোর্স এর শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষায় পৃথকভাবে অংশগ্রহণ করতে হয় এবং কঠোরভাবে মাননিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে পরীক্ষায় পাস করতে হয়। পাস মার্কস ১০০ এর ভেতরে ৭০% এ ধরা হয়।
পরীক্ষা অনুপস্থিতি বা ফেল হলে পুনরায় পরীক্ষা দেয়া যায়। ৩ টি পরীক্ষায় ফেল হলে এবং পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে পাস না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী কোন কোর্স এ আর যুক্ত হওয়া যায় না।
পাবলিক পেইড কোর্স সমূহে বার বার পরীক্ষা দিতে বা রিটেক দিতে কোন অতিরিক্ত ফিস প্রদান করতে হয় না।
পেইড কোর্স এর ক্লাস এবং নন পেইড কোর্স এর উদ্যোক্তাদের ক্লাস একই সাথে একই ভাবে একই মান বজায় রেখেই হয়। অর্থাৎ কোর্স এর ক্লাসের মান এর কোন পরিবর্তন হয় না।
Direct Share Link :
বার বার মোবাইল নম্বর লিখে কমেন্ট করার ঝামেলা এড়াতে ও অনেক সুবিধাদি পেতে আপনার কাস্টমার মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রথমে লগইন করে নিন। Login Now